আওয়ামী লীগ
হাসনাতের স্ট্যাটাসে ‘রিফাইন্ড আ.লীগ ষড়যন্ত্রতত্ত্ব’, সমঝোতার জন্য ‘চাপ’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক বলেছেন, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের অপরাধ স্বীকার করে আওয়ামী লীগেরই কিছু নেতা ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ সামনে নিয়ে আসবেন। দেশের রাজনীতিতে তাদের ফেরানোর জন্য হাসনাতসহ আরও কয়েকজনের ওপর ‘সমঝোতার জন্য চাপ’ দেওয়া হয়েছে। তারা সমঝোতায় রাজি না হয়ে আওয়ামী

আ.লীগকে নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেই: প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বাংলাদেশের আদালতে বিচার করা হবে।

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই ফিরবেন— ভারতীয় গণমাধ্যমে দাবি আ.লীগ নেতার
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে ‘সন্ত্রাসীদের বিদ্রোহ’ অভিহিত করে তিনি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় ভারত সরকারকে ধন্যবাদও দেন।

শেখ হাসিনার জন্য ভারত ঠিক কতদূর যেতে রাজি?
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের ধারণা ছিল এটা একটি ‘স্টপওভার’ আর তার মেয়াদ বড় জোর ছয়-সাত ঘণ্টার জন্যই। সেই ভুল ভাঙতে অবশ্য দিল্লির সময় লাগেনি। ছয় মাস পেরিয়ে আজ সাত মাসে ঠেকলেও তাকে এখনো পাঠানো সম্ভব হয়নি তৃতীয় কোনো দেশে এবং রাষ্ট্রের

আ.লীগ থেকে অব্যাহতি নিয়েছি, আর রাজনীতি করব না: কামাল মজুমদার
কামাল মজুমদার বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। আর কোনো দলীয় পদে নাই। আজকে থেকে অব্যাহতি নিয়েছি বলতে পারেন। আর রাজনীতি করব না। ৭৬ বছর বয়সে আর রাজনীতি করা সম্ভব না। আমরা চাই, নতুন যুব নেতৃত্ব আসুক।

‘ভারত কিছু একটা করবে’ এই ভরসায় আ. লীগের কর্মী-সমর্থকরা
দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল বা নিষিদ্ধ করার দাবি যখন জোরালো হচ্ছে, সেই সময় সারা দেশে প্রবল চাপের মুখে থাকা দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে ভারত কী ভূমিকা নিচ্ছে সেই অপেক্ষায় আছেন। অনেকের বিশ্বাস এবং প্রত্যাশা, ভারত কিছু একটা ভূমিকা রাখবে যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঘুর
